CNBL President Candidate

Ballot: 101

Dr. Mohammad Zahirul Islam Kochi (NDC Batch 1991, Club ID: LM-0018) is a development expert and policy influencer who believes institutions grow stronger when people are invited to participate and be heard. He currently serves as Health Advisor to the Embassy of Sweden, bringing national and global experience in health, culture, development and involved in ongoing initiatives of reform with 3 ministries. A recipient of the Australian Government Leadership Award and Notre Dame College's Honorable Mention. He also leads as Chairman of the Bangladesh Oscar Committee. Within Club Notre Damians, he has spoken consistently for transparency and inclusion, mobilized Batch ’91 support during the COVID crisis, and strong voice for youth-led CNBL—guided by a conviction that democracy, dialogue, and ideas are the true sources of lasting leadership.

আমার পরিচয়

ড. মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম কচি, LM–0018 Ballot : 101 সভাপতি প্রার্থী/ Presidential Candidate

ড. মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম কচি (জন্ম ১৯৭৪) বাংলাদেশের জনস্বাস্থ্য, উন্নয়ন সহযোগিতা, চলচ্চিত্রচর্চা ও সাংস্কৃতিক নীতির ক্ষেত্রজুড়ে এক দীর্ঘ ও ধারাবাহিক নেতৃত্বগাথা নির্মাণ করেছেন। পুরান এবং নতুন ঢাকার জীবনানুভূতিতে গড়ে ওঠা এই মানুষটি অল্প বয়সেই সংগঠন গঠনের দক্ষতা দেখিয়েছিলেন—বিএএফ শাহীন স্কুলে, পরে নটরডেম কলেজে। নটরডেম সায়েন্স ক্লাবের সভাপতি হিসেবে তাঁর সক্রিয় ভূমিকা এবং ১৯৯১ সালে প্রাপ্ত Honorable Mention স্বীকৃতি দেয় তাঁর তখনকার জ্ঞান-নেতৃত্বের সম্মিলিত উপস্থিতিকে।তিনি নটরডেম কলেজের ব্লু অ্যান্ড গোল্ড ম্যাগাজিনের সম্পাদকীয় পর্ষদের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

তিনি ইন্টার–কলেজ সাধারণ জ্ঞান প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হন এবং স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজের টেলিভিশন বিতর্ক দলের দলনেতা হিসেবে নেতৃত্ব দেন। আন্তঃমেডিকেল কলেজ বিতর্ক প্রতিযোগিতায় রানার–আপ হওয়ার মাধ্যমে যুক্তিবোধ, অভিব্যক্তি এবং নেতৃত্বের স্বাভাবিক সক্ষমতা তিনি আরও একবার প্রমাণ করেন।

চিকিৎসা, জনসংখ্যাবিজ্ঞান, উন্নয়ন অধ্যয়ন ও আন্তর্জাতিক জনস্বাস্থ্যের ওপর তাঁর নিয়মিত ও শৃঙ্খলাবদ্ধ প্রশিক্ষণ তাঁকে একটি বিস্তৃত দৃষ্টিভঙ্গির পথে দাঁড় করিয়েছে। স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ থেকে MBBS সম্পন্ন করার পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ ও পপুলেশন সায়েন্সেসে দুটি মাস্টার্স, এবং পরবর্তীতে সিডনি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আন্তর্জাতিক জনস্বাস্থ্যে MIPH ডিগ্রি অর্জন করেন।

২০০৮ সালে অস্ট্রেলিয়ান লিডারশিপ অ্যাওয়ার্ড তাঁর সম্ভাবনাময় বৈশ্বিক নেতৃত্বকে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে স্বীকৃতি দেয়। বিশ্বব্যাংক ইনস্টিটিউট, WHO Barcelona, ইন্দোনেশিয়া বিশ্ববিদ্যালয়, হংকং বিশ্ববিদ্যালয়, UNSW এবং অস্ট্রেলিয়ান হিউম্যান রাইটস কমিশনের পেশাগত প্রশিক্ষণ তাঁর নীতিনির্ধারণ ও কৌশলগত চিন্তাকে আরও দৃঢ় করেছে।

বিশ্বের ষাটটিরও বেশি দেশে ভ্রমণ তাঁর দৃষ্টিকে বহুমাত্রিক করেছে—সংস্কৃতি, ভূগোল ও মানুষের জীবনের ভিন্ন ভিন্ন বয়ান তাঁকে নেতৃত্বের এক আন্তঃসাংস্কৃতিক সংবেদনশীলতা দিয়েছে।

উন্নয়ন ও জনস্বাস্থ্যের অঙ্গনে ড. ইসলামের ভূমিকা নীতি-সমন্বয়, প্রতিষ্ঠানগত দায়িত্ব এবং সংগঠন পরিচালনার এক ধারাবাহিক অভিজ্ঞতার নাম। সুইডেন দূতাবাসে তিনি স্টাফ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি নির্বাচিত হন এবং বর্তমানে হেলথ অ্যাডভাইজর হিসেবে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার কৌশলগত দিকনির্দেশনা দেন। উন্নয়ন সহযোগীদের

HPN Consortium এবং বাংলাদেশ আরবান হেলথ নেটওয়ার্ক—উভয় প্ল্যাটফর্মেই তিনি সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন, যেখানে সরকার, এনজিও, একাডেমিয়া ও উন্নয়ন অংশীদারদের মধ্যে সংলাপ, সমন্বয় ও সমঝোতার কাজ ছিল অত্যন্ত সূক্ষ্ম এবং প্রয়োজনীয়। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন কমিটিতে তিনি ইউনিভার্সাল হেলথ কভারেজ, নগর স্বাস্থ্য, প্রাইমারি কেয়ার ও হেলথ সিস্টেম সংস্কার বিষয়ে পরামর্শ দিচ্ছেন।

শিল্প-সংস্কৃতির জগতে তাঁর উপস্থিতি সমানভাবে দৃশ্যমান। বাংলাদেশ অস্কার কমিটি, বাংলাদেশ শর্ট ফিল্ম ফোরাম, বাংলাদেশ ফেডারেশন অব ফিল্ম সোসাইটিজ এবং ঢাকা ফিল্ম সোসাইটির সভাপতি হিসেবে তিনি ধারাবাহিকভাবে নীতি-নির্ধারণী পর্যায়ে নেতৃত্ব দিয়েছেন। এশিয়ান আর্টস অ্যান্ড কালচারস সেন্টারের চেয়ারম্যান এবং আহমদ ছফা রাষ্ট্র-সভা’র সাধারণ সম্পাদক হিসেবে তিনি সাংস্কৃতিক বোধ ও সংগঠনের শৃঙ্খলাকে নতুন মাত্রা দিয়েছেন।

সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীন Artists’ Welfare Trust-এর ট্রাস্টি বোর্ড সদস্য এবং তথ্য মন্ত্রণালয়ের একাধিক উপদেষ্টা কমিটির সদস্য হিসেবে তাঁর ভূমিকা জাতীয় সাংস্কৃতিক নীতির পরিমণ্ডলে গুরুত্বপূর্ণ। ঢাকা আন্তর্জাতিক স্বল্পদৈর্ঘ্য ও স্বাধীন চলচ্চিত্র উৎসবের ১৬তম ও ১৭তম আসরের অন্যতম প্রধান সংগঠকও ছিলেন তিনি।

চলচ্চিত্র নির্মাতা হিসেবেও তাঁর পরিচয় উজ্জ্বল। তাঁর নির্মিত স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র নিশি লস অ্যাঞ্জেলেসে Environmental Media Award (EMA)—যা আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে “Green Oscar” নামে পরিচিত—হাসিল করে। বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির আয়োজিত ফিল্ম অ্যাপ্রিসিয়েশন কোর্সের কোর্স ডিরেক্টর হিসেবে চলচ্চিত্রশিক্ষার বিকাশেও তাঁর অবদান স্মরণযোগ্য।

গবেষণাক্ষেত্রে তাঁর প্রবন্ধ Nature-সহ আন্তর্জাতিক পিয়ার-রিভিউ জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে; ORCID ও ResearchGate-এ তাঁর কাজ সুসংরক্ষিত। তিনি সম্পাদনা করেছেন Slum Health in Bangladesh, Bangladesh Marching Forward (প্রথম আলো) এবং Film Appreciation (বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্র)। প্রফেসর সলিমুল্লাহ খানের সঙ্গে যৌথভাবে তিনি বেশ কয়েকটি সাময়িকী সম্পাদনা করেন, যা দেশের বৌদ্ধিক আলোচনাকে সমৃদ্ধ করেছে।

সমগ্র পরিসরটি বিবেচনা করলে দেখা যায়—ড. মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম কচির জীবন-বৃত্তান্ত এক ধারাবাহিক নেতৃত্বের দলিল। সংগঠন নির্মাণ, নীতি-চিন্তা, সৃজনশীলতা, গবেষণা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড—সব জায়গায় তাঁর উপস্থিতি স্থির, নির্ভরযোগ্য এবং ভবিষ্যতমুখী।

Club Notre Damians-এর সভাপতি পদে আপনাদের ভোট প্রার্থনা করছি। আপনাদের সমর্থন পেলে আমরা একসাথে একটি শক্তিশালী ও আধুনিক ক্লাব গড়ে তুলতে পারব।

আমার ইশতেহার

  • প্রথম ১০০ দিন

২০২৪—২৫ সহ বিগত কমিটির কাজের ও আর্থিক অবস্থার রিভিউ করা।
লাইসেন্স, রেজিস্টে্রশন ও আইনগত কাগজপত্র রিভিউ করা।
সেক্রেটারিয়েট শক্তিশালীকরণ ও প্রয়োজন অনুযায়ী স্টাফ সংখ্যা বৃদ্ধি করা।
ক্লাব ফান্ড গঠনের খসড়া নীতিমালা ও কর্মকৌশল প্রণয়ন করা।
সদস্যদের মতামত সংগ্রহের ডিজিটাল ফর্ম তৈরি করা।
ত্রৈমাসিক ওপেন মেম্বার মিটিং চালু করা।
ক্লাবের স্থায়ী ঠিকানা নির্ধারণের প্রক্রিয়া শুরু করা (বনানী অফিসসহ সম্ভাব্য অপশন যাচাই করা)।
অন্যান্য ক্লাবের সঙ্গে অ্যাফিলিয়েশন ও যৌথ কার্যক্রম পরিচালনা করা।
পার্কিং ব্যবস্থার উন্নয়ন করা।
নতুন সদস্য সংগ্রহ করা এবং পুরনোদের আপগ্রেড করা

  • প্রথম ৬ মাস

ডিজিটাল ট্রান্সফরমেশন রোডম্যাপ তৈরি করা।
ক্লাব ডিরেক্টরির ই—কপি প্রকাশ করা ও ক্লাবের নিজস্ব অ্যাপ তৈরি করা।
নিয়মিত ই—নিউজলেটার ও ব্লগ প্রকাশ করা শিশুদের জন্য সুজনশীল ও শিক্ষামূলক আয়োজন করা।
মানবিক ক্লাব হিসেবে সামাজিক দায়বদ্ধতার কাঠামো তৈরি করা
বক্তৃতা, সেমিনার, গোলটেবিল বৈঠক আয়োজন করা।
বুক কর্নার ও রিডিং ক্লাব চালু করা।
পডকাস্ট, ইউটিউব চ্যানেল ও নিয়মিত কনটেন্ট প্রকাশ করা।

  • ১ম বছর
    বড় পরিসরে পূর্বাচলে/নিকটবর্তী নতুন ভেন্যুর ফিজিবিলিটি স্টাডি করা।শক্তিশালী পেশাভিত্তিক এলামনাই নেটওয়ার্ক তৈরি ও বার্ষিক সম্মেলন করা।
    বিনোদন ও ক্যারিয়ার উন্নয়নমূলক ইভেন্ট আয়োজন করা।
    অন্যান্য ক্লাবের সঙ্গে অ্যাফিলিয়েশন ও যৌথ কার্যক্রম পরিচালনা করা।
    সময়মতো অডিট করা
    আর্থিক স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিতকরণ।
    ক্লাবের স্থায়ী ঠিকানা বাস্তবায়নের অগ্রগতি দৃশ্যমান করা।
    ডিজিটাল + পেপারলেস ক্লাব অপারেশন চালু করা।
    আর্থিক ভাবে অসচ্ছল ক্লাব মেম্বারদের জন্য বিশেষ তহবিল গঠন করা।
  • ২য় বছর
    ভিশন ২০৩৫ ও মিশন ২০৩০ চূড়ান্তকরণ
    ক্লাবের স্থায়ী ঠিকানা নির্ধারণের প্রক্রিয়া সমাপ্ত করা।
    সময়মতো এজিএম অডিট ও নির্বাচন করা
    নতুন নেতৃত্বের হাতে দায়িত্ব হস্তান্তর করা।
    ২০২৭—এর পরের কমিটির জন্য স্ট্র্যাটেজিক হ্যান্ডওভার নোট তৈরি করা।
    উন্নয়ন সংস্থা ও কর্পোরেটের সঙ্গে নীতিনির্ভর পার্টনারশিপ করা।
    ক্লাব লোগোসহ সুভেনির কর্নার উদ্বোধন করা।

শেষ কথা

এই ইশতেহার কোনো একদিনের পোস্টার নয়।
এটি একটি দুই বছরের যাত্রাপথ,
যেখানে প্রতিটি সদস্য গুরুত্বপূর্ণ,
পুরাতন ধরণটি আস্তে আস্তে সরান, প্রতিটি সদস্য, প্রতিটি কণ্ঠস্বর গুরুত্বপূর্ণ।

Gently  Move The Old pattern Every Member Matterrs, Every voice  Counts

Voter For Dr. Zahirul Islam Kochi

Ballot 101

গ্যালারী

Scroll to Top